বড়কুঠিতে বাঁশের সাঁকোতে চাঁদা আদায়, ক্ষোভ দর্শনার্থীদের
নিজস্ব প্রতিবেদন : রাজশাহী মহানগরীর ঐতিহাসিক বড়কুঠি এলাকায় পদ্মা নদী পাড়ে খাল খনন করে তৈরি করা বাঁশের সাঁকো ঘিরে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীর কাছ থেকে সাঁকো পারাপারে ৫ টাকা করে আদায় করছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় এবং বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছুদিন চাঁদা আদায় বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি আবারও তা শুরু হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি চাঁদা না দেওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের দুই শিক্ষার্থী আহত হন।
দর্শনার্থীরা দ্রুত এ চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলেন, জনসাধারণের অবাধ চলাচলের স্থানে এ ধরনের অবৈধ অর্থ আদায় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।



