সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬
Google search engine

টেক মাস্টারমাইন্ড ২০২৬ : গবেষক নাহিদ আলম

টেক মাস্টারমাইন্ড ২০২৬ : গবেষক নাহিদ আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক | জাতীয় ডেস্ক

রাজশাহীর নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদ আলম। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রযুক্তি গবেষণা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগতে নিজের অবস্থান তৈরি করে তিনি দেশ-বিদেশে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন। প্রযুক্তি অঙ্গনের অনেকেই তাঁকে ইতোমধ্যে ‘টেক মাস্টারমাইন্ড ২০২৬’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তিনি গুগল ক্লাউডের চুক্তিভিত্তিক চাকরি থেকে পদত্যাগ করে গবেষণায় পূর্ণ সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর তিনি তাঁর পূর্বের গবেষণা প্রকল্পগুলোতে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একটি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন। পরে চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইডু সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির পেটেন্ট নিবন্ধন করায় তাঁর গিনেস বিশ্ব রেকর্ডের প্রচেষ্টা স্থগিত হয়ে যায়। তবে এই গবেষণাই তাঁকে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি মহলে পরিচিত করে তোলে।

দেশের ২৩ থেকে ২৫টি প্রতিষ্ঠানের লোভনীয় চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে তিনি গবেষণাকেই অগ্রাধিকার দেন। পরবর্তীতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জি–৪২–এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান কোর–৪২–এ দূরবর্তী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা সহযোগী হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তাঁর মাসিক বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ দিরহাম। পাশাপাশি স্নাতক সম্পন্নের পর প্রকল্প পরিচালক পদে দায়িত্ব গ্রহণ এবং বিশ্বের যেকোনো দেশে স্থায়ীভাবে কাজের সুযোগও নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে তাঁর উদ্ভাবিত লেক্সগ্লোবাল বিডি, দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডিজিটাল আইন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। দেশের প্রায় ৩৫টি গণমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, বিদেশি বিনিয়োগের আগ্রহ থাকলেও বাংলাদেশের আইন ও সংবিধানভিত্তিক এই প্রযুক্তি দেশের বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করবেন না। তবে তাঁর পরবর্তী গবেষণা উদ্যোগ ‘প্রকল্প মায়াবী’ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, অল্প বয়সে গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক কর্মপরিসরে নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়ে নাহিদ আলম বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে বিশ্ব প্রযুক্তি ইতিহাসে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন এই তরুণ গবেষক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ
- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয় সংবাদ

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ