ভুয়া কবিরাজির প্রতারণার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের উপর প্রশ্ন অভিযোগ, আত্মনাশের সংবাদের
প্রতিবেদক,
রাজশাহী মহানগরীতে কথিত ভুয়া কভিরাজ প্রতারণার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিকের উপর যুদ্ধ এবং পরবর্তী চেষ্টানাশের সংসদ অভিযোগ সমগ্র। এ চন্দ্র চন্দ্রিমা অভিযোগে অভিযোগ করেছেন অন্তর্ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. তানজিলুল ইসলাম (লাইক)।
অভিযোগে জানা যায়, গোপন সংবাদের কথোপকথন সাংবাদিক জানতে পারেন, রাজশাহী মহানগর শিরোইল স্থানীয় বাসিন্দার বাসিন্দা মুরাদ হোসেনকে ধরেছেন ঝফুঁক, পড়ুন বিভিন্ন অৌকিক পানি ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, এ ধরনের কার্যক্রমের জন্য তার কোনো স্বীকৃত প্রাতিষ্ঠা শিক্ষা বা চিকিৎসা-সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেই। স্থানীয়ভাবে তিনি বিভিন্ন মসজিদে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করতেও সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে কভিরাজির প্রতারণার কথা বলে অভিযোগ করেছেন।
এছাড়াও স্থানীয় সম্প্রদায়ের দাবি, অভিযুক্ত মুরাদ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের একজন ভ্যানচালক হিসাবে কাজ করেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি কথিত কবিরাজি কার্যক্রম চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ হয়, সত্যের সত্যতা ও সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গত ২১ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার) রাত প্রায় ৮টার উত্তরে বলা যেতে পারে রিপোর্ট।
এর পর ২২ জুলাই (বুধবার) সন্ধ্যা প্রায় ৮টার রাজশাহীতে নগর আল-আরাফাহ একাডেমিরে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, মুরাদ হোসেন, তার নিজ নিজকে, এবং তাদের স্বদেশী অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের উপর লড়াই চালান। এ সময় স্থানীয় সমর্থন এলে সাংবাদিক তানজিলুল ইসলাম (লাইক) খেতে পান।
চন্দ্রিমা প্রার্থী অভিযোগ করেন। অভিযোগ অভিযুক্ত করা শিরোইল কলো, হাজরাপুকুরনি এলাকাবাসী মো. মুরাদ হোসেন (পিতা: নিজেরাম সংযোগকে)
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, যুদ্ধের পর অভিযুক্ত সাংবাদিক তানজিলুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে আক্রমণাত্মকভাবে মুক্তি দিতে পারবেন। টানা ও তার পরিবারটি নিরাপত্তাহীন অনুশীলন।
অধিবেশনকারী সাংবাদিক তানজিলুল ইসলাম বলেন, “সংবাদ সংগ্রহ করা একজন সাংবাদিকের নারীগত দায়িত্ব। প্রতারণার অভিযোগের সত্যতা দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছি।



